একজন স্বেচ্ছাসেবকের জন্য করণীয় কিছু বিষয়

যারা জরুরী সময়ে মুমুর্ষ রোগির জন্য রক্তদাতা ম্যানেজ করে থাকেন, তাদেরকে সাধারণত আমরা আমাদের ভাষায় রক্তযোদ্ধা, রক্ত সৈনিক অথবা স্বেচ্ছাসেবক বলে থাকি। তবে এ ধরণের স্বেচ্ছাসেবক হতে হলে যে অন্য সব মানুষদের চেয়ে কিছুটা এক্সট্রা অর্ডিনারি পরিস্রমের কাজ করতে হয়,

মানব সেবার ব্রত নিয়ে ‘অর্পণ ফাউন্ডেশন’ এর পথচলা

“অর্পণ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ” একটি স্বেচ্ছাসেবী ও রক্তদাতা সংগঠন । যা অনলাইনে যাত্রা শুরু করে ৮ নভেম্বর ২০১৫ এবং মাঠ পর্যায়ে যাত্রা শুরু হয়েছিলো ৪ই ডিসেম্বর ২০১৫ ইং তারিখে একটি ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প এর মাধ্যমে । ক্ষুদ্র পরিসরে যাত্রা শুরু

একটু সচেতনতা আর একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে

থ্যালাসেমিয়া, প্রতিরোধ এখনি! পছেন্দের মানুষকে জীবনসঙ্গী করে সারাজীবন সুখী হতে কে না চায়? কিন্তু একটি বিষয় আছে তা হয়ত অনেকেরই অজানা। আচ্ছা যদি এমন হয় যে, সবকিছু ঠিক থাকার পরও একটি ভুলের কারণে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম থ্যালাসেমিয়া নামক মরণঘাতী ব্যাধিতে

কাদের রক্তদানের যোগ্যতা রয়েছে?

1. ১৮ থেকে ৬০ বছরবয়সী সুস্থ সবল মানুষ রক্ত দিতে পারবে। 2. রক্তদাতার দেহের ওজন সর্বনিম্ন মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪৭ কেজি এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫০ কেজি বা এর বেশি হতে হবে। তবে প্লাটিল্যাট লাগলে ওজন কমপক্ষে ৫৫ কেজি হতে হবে, ছেলে/মেয়ে।

বিয়ে করবেন? সবার আগে জেনে নিন হবু বর-কনের রক্তের গ্রুপ!

বিয়ে নিয়ে তরুন-তরুনীদের মনে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। বিয়ের আগে দুই পরিবারের বংশ পরিচয়, আত্নীয় স্বজন, টাকা-পয়সা বা রুপ সৌন্দর্য এবং এই সম্পকৃত যাবতীয় তথ্যাবলী জানার আপ্রান চেষ্টা থাকে দুই পরিবারের মধ্যেই। কিন্তু বিয়ের আগে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় হচ্ছে

রক্ত দান কি নিরাপদ ?

☞ রক্ত দান সম্পর্কিত যত প্রশ্ন ও উত্তরঃ- 1. রক্ত দান কি নিরাপদ ? ✔ ছেলেদের শরীরের ওজনের কেজি প্রতি ৭৬ মিলি লিটার এবং মেয়েদের শরীরে ওজনের কেজি প্রতি ৬৬ মিলিলিটার রক্ত থাকে। উভয়ের ক্ষেত্রেই ৫০ মিলিলিটার রক্ত সংবহনের কাজে

কাদের রক্তদানের যোগ্যতা নেই ?

☞যেসব রোগ থাকলে রক্তদাতাকে সারা জীবন রক্ত দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবেঃ অন্তঃসত্বা নারী রক্ত দিতে পারবেন না, ক্যান্সার, হৃদরোগ, বাতজ্বর, উচ্চ ও নিম্ন রক্তচাপ, রক্তক্ষরণ জনিত সমস্যা, অকারণে ওজন কমতে থাকা, ইনসুলিন নিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হেপাটাইটিস বি এবং সি, ক্রনিক

আপনি কেন রক্তদান করবেন?

অনেকে রক্ত দিতে দ্বিধায় ভোগেন। এর কারণ রক্তদানের পদ্ধতি ও পরবর্তী প্রভাব সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অযথা ভীতি। প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী প্রতি চার মাস অন্তর নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে রক্তদান করতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব তো পরেই না

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগেই হোক রক্ত পরীক্ষা

থ্যালাসেমিয়া বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই দেখ গেলেও মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব দিকের কিছু দেশ, ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশে থ্যালাসেমিয়ারপ্রকোপ বেশি। দেশে প্রতিবছর প্রায় আট হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। সারাদেশে এ রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখেরও বেশি এবং দেশে

প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশনের রোগিদের নির্মম বাস্তবতা

আমরা অনেক রক্তদাতাই বর্তমানে প্লাটিলেটফেরেসিস এর মাধ্যমে প্লাটিলেট দান করতে খুবই আগ্রহী। এমনকি অনেকেই বলেন শুধু প্লাটিলেট লাগলে দিবেন, হোল ব্লাড দিবেন না। কিন্তু রোগির আত্মীয়ের জন্য হোল ব্লাড ট্রান্সফিউশনের চেয়েও বড় একটি বোঝা এই প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশন করা। যে রোগির