একটু সচেতনতা আর একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে

থ্যালাসেমিয়া, প্রতিরোধ এখনি!
পছেন্দের মানুষকে জীবনসঙ্গী করে সারাজীবন সুখী হতে কে না চায়? কিন্তু একটি বিষয় আছে তা হয়ত অনেকেরই অজানা। আচ্ছা যদি এমন হয় যে, সবকিছু ঠিক থাকার পরও একটি ভুলের কারণে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম থ্যালাসেমিয়া নামক মরণঘাতী ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়? শুধু একটি বিষয়ে অজ্ঞতা থাকার কারণে সব ঠিক থেকেও কোন লাভ হলনা। মেনে নিতে পারবেন কি কখনও?

হ্যা। এখনি সময়। যাকে পছন্দ করেন বা যার সাথে সারাজীবন কাটাতে চান তাহলে জেনে নিতে হবে তার থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার স্ট্যাটাস এমনকি নিজেরও।
তবেই এ রোগের হাত থেকে মুক্তি সম্ভব।

আপনি জানেন কি যে, বাংলাদেশের প্রতি ১০ জনের ১ জন অজান্তেই এই মরণঘাতী জিনের বাহক? এজন্য বিয়ের পূর্বেই নিজের এবং লাইফ পার্টনারের থ্যালাসেমিয়া স্ট্যাটাস জেনে নেয়া বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১১,০০০ থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ারের মধ্যে বিবাহ হয়। যা কিনা সারা দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশি জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ ৭০ লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। বাংলাদেশে প্রায় ২ লাখ শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত এবং প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা হবে ৫০,০০০ প্রতি বছর।

একটু সচেতনতা আর একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে।
তাই দেরী নয়। থ্যালাসেমিয়া, প্রতিরোধ এখনি!

একটু সচেতনতা আর একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *